বুধবার রাত ৮:২১

৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল

বঙ্গোপসাগরে গম-চিনিসহ ডুবল দুটি লাইটার জাহাজ : ১৩ নাবিক নিখোঁজ

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গর থেকে পণ্য নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে দুটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে হাতিয়া এলাকায় পৃথক দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি জাহাজের ১৩ জন নাবিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

আজ শনিবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নাবিকদের খোঁজ মিলেনি। জাহাজটিতে দুই হাজার টন আমদানিকৃত গম রয়েছে। 

ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপের গমবাহী জাহাজ এমভি আখতার বানু-১। এই জাহাজ সাগরে উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে উল্টে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমভি আখতার বানু-১ জাহাজের শিপিং এজেন্ট ‘লিটমন্ড শিপিং’-এর অপারেশন ম্যানেজার জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সকাল থেকেই আমরা চেষ্টা করছি নাবিকদের খোঁজ নিতে। জাহাজের সার্ভেয়ার ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত নাবিকদের খোঁজ মিলেনি। নিখোঁজ নাবিকদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করছেন।

কোস্টগার্ডের পাবলিক রিলেশন বিভাগ জানায়, ঘটনাস্থলে একটি টিম যাওয়ার চেষ্টা করেও ফেরত আসে। সাগর উত্তাল ও প্রচণ্ড ঢেউ থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।

অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে হাতিয়া এলাকায় আজ সকাল ৯টার দিকে। উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে এমভি সিটি-১৪ নামের জাহাজটি ডুবে যায়। জাহাজটি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের। জাহাজটি দেড় হাজার টন আমদানিকৃত অপরিশোধিত চিনি পরিবহন করছিল।  

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে অবস্থান করা বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে এই লাইটার জাহাজে করে অপরিশোধিত চিনি নিজেদের কারখানায় নেওয়া হচ্ছিল। মাঝপথে সেটি ডুবে যায়। চলতি পথে সিটি গ্রুপের আরেকটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনা দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসে এবং দুর্ঘটনা কবলিত নাবিকদের নিরাপদে উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে যায়।







© সকল স্বত্ব- সমাজ নিউজ -কর্তৃক সংরক্ষিত
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭১৩-৫১২৫৮২।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

ডিজাইন: একুশে