বুধবার রাত ১১:৩৪

১৭ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি

২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ শরৎকাল

নিজের জ্বালানি নিজেই তৈরি করতে পারে যে সমুদ্রযান

‘দ্য এনার্জি অবজারভার’ নামের ছোট একটি নৌযান সাগরের বুকে ভেসে বেড়ানোর সময় নিজের জ্বালানি নিজেই তৈরি করতে পারে। নৌযানটির উপরের অংশে থাকা সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সাগরের পানি থেকে হাইড্রোজেন জ্বালানি তৈরি করতে পারে সেটি।

জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে হাইড্রোজেন জ্বালানি অনেক আগে থেকেই পরিবেশের জন্য উপকারী বলে জানিয়ে আসছেন গবেষকরা। তবে এখনো হাইড্রোজেন জ্বালানির উপর ততোটা আস্থা পাচ্ছে না গাড়ি বা যানবাহনের চালকরা। এর কারণ হলো পর্যাপ্ত হাইড্রোজেন রিফিউলিং স্টেশন না থাকায় গাড়িচালকরা এই জ্বালানি নির্ভর গাড়ি কিনতে চায় না তেমন একটা। উল্টো দিকে গাড়িচালকরা যদি হাইড্রোজেন জ্বালানি নির্ভর গাড়ি বেশি না চালায়, তাহলে হাইড্রোজেন স্টেশন তৈরি করার ঝুঁকিও নিতে চায় না ব্যবসায়ীরা।

দিনের বেলায় ২০০ বর্গমিটার দীর্ঘ সোলার প্যানেল নৌযানটির লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চার্জ করে। এরপর হাইড্রোজেন তৈরি করে রেক্স এইচ টু নামের সোলার সেল, যেটি তৈরি করেছে টয়োটো কোম্পানি। এই ফুয়েল সেল সাগরের পানি থেকে লবণ আলাদা করে পানি থেকে হাইড্রোজেন ও ইলেকট্রিসিটি উৎপন্ন করে।

২০১৭ সালে ‘দ্য এনার্জি অবজারভার’ যাত্রা শুরু করলেও তখন শুধু দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হাইড্রোজেন উৎপন্ন করতে পারতো নৌযানটি। এর মাঝে তার প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করা হয়। এর ফলে নৌযানটি সাগরে ছুটে চলা অবস্থাতেও হাইড্রোজেন তৈরি করতে পারে। হাইড্রোজেন জ্বালানি ভবিষ্যতে কতোটা উপকারি হবে, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও হাইড্রোজেন জ্বালানির ব্যবহারে অনেক ইলেকট্রিসিটি সংরক্ষণ হয় বলে সাগরে এই জ্বালানি প্রয়োজন বলেই মনে করছেন একদল গবেষক।







© সকল স্বত্ব- সমাজ নিউজ -কর্তৃক সংরক্ষিত
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

ডিজাইন: একুশে