বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৪৫

৯ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

১৭ই জিলকদ, ১৪৪১ হিজরি

২৫শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ বর্ষাকাল

শত ব্যস্ততার মাঝেও নামাজ ছাড়েন না প্রধানমন্ত্রী

ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা ও জায়গা বরাদ্দ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড গঠন, বিশ্ব ইজতেমার জমি বরাদ্দ, বাংলাদেশের ওআইসি সদস্যপদ লাভ, ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি, কম খরচে পবিত্র হজ পালনের উদ্যোগ, মদ ও জুয়া নিষিদ্ধকরণ এবং বেতার-টেলিভিশনে আল-কুরআনের বাণী প্রচার করাসহ ইসলামের প্রচারে জাতির পিতার অবদান বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষেরই জানা। সেই বাবার সুযোগ্য কন্যা হিসেবে শেখ হাসিনা নিজেও যে ইসলামের সেবায় আত্মনিবেদিত থাকবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

আল-কুরআনের ডিজিটালাইজেশন, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, ৩১টি কামিল মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু, বায়তুল মোকাররমের সৌন্দর্যবর্ধন ও সম্প্রসারণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরি ভবন নির্মাণ, হজ্ব ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুুক্তির ব্যবহার, জেদ্দা হজ্ব টার্মিনালে ‘বাংলাদেশ প্লাজা’ স্থাপন, মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে আলেম-ওলামাদের কর্মসংস্থান ও বেতন ভাতা বৃদ্ধি, কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সনদের সরকারি স্বীকৃতি, ১০০০ বেসরকারি মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন ও মসজিদ পাঠাগার স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার অবদান অবিস্মরণীয়।

কিন্তু এর চাইতেও অবাক করা তথ্যটি হলো, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দেশ ও দলের কাজে শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও কখনও নামাজ ছাড়েন না বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এক মাস আগে ‘লেট’স টক’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণদের মুখোমুখি হন। সেখানে নিজের মুখেই তিনি জানান, ‘ব্যস্ততার কারণে অনেক কিছুর রুটিন ঠিক থাকে না। তবে ফিট থাকতে আমি নামাজ পড়ি নিয়মিত।’

ওই অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী সন্তান ডা. নুজহাত চৌধুরী। তিনি এসময় প্রশ্ন করেন, ‘এত খাটেন আপা, নিজের জন্য সময় পান?’ নিজের জীবনটাকে দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে আমার নিজের বলতে কিছু নেই। রাতে ৫ ঘণ্টা ঘুমাই। আর বাকি সময় চেষ্টা করি, কত দ্রুত আমার কাজগুলো শেষ করতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কারণ, আমি জানি, যেকোনও মুহূর্তে চলে যেতে হতে পারে। কখনও গুলি, কখনও গ্রেনেড হামালায়। তাই প্রতিটি মুহূর্তে দেশের মানুষের জন্য কিছু করে যাওয়ার চেষ্টা করি।’

আসলে শেখ হাসিনা শুধু প্রধানমন্ত্রী বা দলের সভানেত্রী নন। তিনি হচ্ছেন জাতির শিক্ষক। যত বড় পদেই অধিষ্ঠিত হন না কেন, স্রষ্ঠার কাছে একদিন সবাইকে ফিরে যেতে হবে। তাই তার কাছে মাথা অবনত করতে ভুলে যাওয়া চলবে না। এই শিক্ষাই তিনি দিয়েছেন তরুণ প্রজন্মকে। এমন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় জাতি একদিন অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক বাংলাদেশ পাবে, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

Comments are closed.







প্রকাশক ও সম্পাদক: মো. দেলোয়ার হোসেন (শরীফ), প্রধান সম্পাদক: শান্ত বণিক।
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭১৩-৫১২৫৮২।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com

ডিজাইন: একুশে