সোমবার দুপুর ২:০৫

২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

১০ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ শরৎকাল

টেকনাফে দেখা মিলল ‘পঙ্গপাল’ প্রজাতির পতঙ্গ

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে দেশে পঙ্গপাল প্রজাতির অস্তিত্ব পেয়েছে কীট বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, টেকনাফে এর উপস্থিতি শনাক্ত করা গেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের শঙ্কা করছেন তারা। টেকনাফে পোকার আক্রমণের খবর পাওয়া গেলেও সেটি পঙ্গপাল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পঙ্গপাল, ঘাষ ফড়িংয়ের সমগোত্রীয় প্রাণী। আচরণ পরিবর্তন করে দলবেঁধে হয়ে ওঠে পঙ্গপাল, আক্রমণ করে মাঠের পর মাঠ ফসল উজাড় করে তারা। বলা হয়ে থাকে, ১০ লাখ পঙ্গপাল একদিনে ৩৫ হাজার মানুষের খাবার খেয়ে ফেলতে পারে।

এরইমধ্যে মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার অনেক দেশে আক্রমণ করেছে ঘাস ফড়িং-এর এই প্রজাতিটি। মধ্যপ্রাচ্য ও পাকিস্তানেও এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এবার দেশের কীট বিজ্ঞানীরা বলছেন, কক্সবাজারের টেকনাফেও পাওয়া গেছে পঙ্গপাল প্রজাতির অস্তিত্ব।

কীটবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত  হোসেন বলেন, টেকনাফের একটা ভিডিও পর্যালোচনা করে যেটা মনে হয়েছে ঘাস ফড়িংয়ের আচরণ পরিবর্তন করে তারা ধীরে ধীরে দলবদ্ধ হচ্ছে।

তবে জেলার কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, শত শত পোকা দলবেঁধে গাছের পাতা খেয়ে ফেলেছে। তবে সেটি পঙ্গপাল কিনা তা নিশ্চিত নয়।

মে মাসে পঙ্গপালের বংশবিস্তারেরে উপযুক্ত সময় বলে বিবেচনা করা হয়। তাই খাদ্য সংকট মোকাবিলায় এখই প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ বিজ্ঞানীদের।

কীটবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত  হোসেন বলেন, এটা যদি এখনই যদি এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা না যায় এভাবে তারা পরবর্তীতে পঙ্গপাল হয়ে যাবে। এখনই নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ভালো না হয় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.







© সকল স্বত্ব- সমাজ নিউজ -কর্তৃক সংরক্ষিত
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭১৩-৫১২৫৮২।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

ডিজাইন: একুশে