মঙ্গলবার রাত ২:১১

২রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ বসন্তকাল

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জানিয়েছেন অপরাধীকে ধরিয়ে দেবে মশা!

জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, অপরাধ করার পর যদি কোন ত্থ্য প্রমান না পাওয়া যায় যা দিয়ে অপরাধীকে সনাক্ত করা যায়। এমন কি একটা চুল পর্যন্ত পড়ে নেই, যার সূত্র ধরে খুনির পরিচয় শনাক্ত করা যেতে পারে। এ রকম অবস্থায় একটা মশা যদি ঘটনাস্থলে সেই চতুর খুনিকে কামড়ায়, একদিন সেটা তাকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করার পথ খুলে দিতে পারে।

এ বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্লস ওয়ান সাময়িকীতে গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। এতে গবেষকেরা লিখেছেন, মশার পাকস্থলী থেকে সংগৃহীত রক্তের সূত্র ধরে সেই নমুনার মূল ধারককে ৪৮ ঘণ্টা পরও শনাক্ত করা সম্ভব।

গবেষক দলটির প্রধান বিজ্ঞানী তোশিমিচি ইয়ামোমোতো বলেন, এই কৌশল অপরাধের ঘটনাস্থলে পুলিশের কাজে লাগতে পারে। ভবিষ্যতে এটা অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

মশা কতক্ষণ পর্যন্ত নিজের পাকস্থলীর ভেতরে শনাক্তের উপযোগী ডিএনএ প্রোফাইল ধরে রাখতে পারে, সেটা এত দিন কেউ জানত না। তাই ইয়ামোমোতো ও তাঁর সহযোগী একদল ফরেনসিক বিজ্ঞানী সেটা খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা স্বেচ্ছাসেবীদের দংশনকারী কয়েকটি মশার পেটের ভেতর থেকে রক্ত উদ্ধার করে সেগুলো পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) নামের পদ্ধতি ব্যবহার করে পরীক্ষা করেন। অতি ক্ষুদ্র ডিএনএকে হাজারবার সম্প্রসারণে এটা কাজে লাগে। বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, মশার পাকস্থলীতে হজম হওয়ার দুই দিন পরও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে তিন দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর আর সেই উপায় থাকে না।

কিউলেক্স পিপিয়েনস এবং অ্যাডিস অ্যালবোপিকটাসপ্রজাতির মশার ওপর এ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এরা ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বসবাস করে।

অধিকাংশ মশা কয়েক শ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যেই ঘোরাফেরা করে। আর তাদের আয়ু কয়েক দিন থেকে শুরু করে কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী। স্ত্রী মশাগুলোই সাধারণত মানুষকে কামড়ায়। আর তারা পুরুষ মশার চেয়ে বাঁচে বেশি।







© সকল স্বত্ব- সমাজ নিউজ -কর্তৃক সংরক্ষিত
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭১৩-৫১২৫৮২।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

ডিজাইন: একুশে