সোমবার বিকাল ৩:৫৮

২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

১০ই সফর, ১৪৪২ হিজরি

১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ শরৎকাল

ইভানের বাবাই ইভানকে র‌্যাবের হাতে তুলে দিয়েছেন

জন্মদিনের কথা বলে বনানীর বাসায় ডেকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন ইভানকে র‌্যাবের হাতে তুলে দিয়েছেন তার বাবা শিল্পপতি বোরহান উদ্দিন। বনানীর যে বাসায় ডেকে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে ওই বাসায় (ন্যাম ভিলেজের ৫/এ বাড়ি) নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং বোরহান উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হয় এমন একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি জানিয়েছেন।

তারা জানান, ন্যাম ভিজেলের ৫/এ নম্বর বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্লাটে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন বোরহান উদ্দিন। বনানীতে তার নিজস্ব একটি বাড়িও আছে। তবে বোরহান উদ্দিন তার পরিবার নিয়ে ভাড়া বাড়িতেই থাকেন। বোরহান উদ্দিন তিন ছেলের পিতা। তিন ছেলের মধ্যে ধর্ষণের অভিযেগ ওঠা বাহাউদ্দিন ইভান সবার বড়। এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা ইভানও তার পরিবার নিয়ে ওই ভাড়া বাড়িতে থাকেন। ইভানের ছেলে বনানীর একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়ে। আর মেয়ে ছোট, যে এখনও স্কুলে যায়নি। ইভানের অপর দুই ভায়ের মধ্যে ছোটটি উত্তরায় থাকেন। সেখানেই একটি কলেজে পড়েন তিনি। আর সবার ছোট ভাইটি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

বোরহান উদ্দিনের ব্যবসায়িক কর্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এবং চাঁদপুরের গ্রামের বাড়ির দিক থেকে আত্মীয় একজন বলেন, আমার জেঠাতো ভাই বোরহান উদ্দিনই তার ছেলে ইভানকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন। ধরিয়ে না দিয়ে কী করবে? যেভাবে র‌্যাব-পুলিশ ও সাংবাদিকরা আসছেন সবাই ভয়ে আছে। মূলত ভয় আর আতঙ্ক থেকেই ভাই আমার ভাতিজাকে ধরিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভালোটাও সন্তান, খারাপটাও সন্তান। বাবা-মার সব সন্তানের প্রতিই মায়া আছে। ছেলেকে ধরিয়ে দিয়ে এসে বাবা-মা দু’জনই বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন। বাসায় কান্নাকাটি করছেন।

তিনি জানান, বোরহান উদ্দিনের বনানীর ৮ নম্বর রোডের ২ নম্বর হাউজে অবস্থিত মার্কেটে দোকান রয়েছে। দোকানে ১৬টির মতো সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। বোরহান উদ্দিন মার্কেটের ভেতরের একটি কক্ষে বসে সবকিছু মনিটরিং করেন। ইভানও মাঝে মধ্যে সেখানে যেত।

তিনি বলেন, আমার ভাজতে (ইভান) বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মিশে দুই হাতে টাকা খরচ করে। তাই ওর বাবা ছেলেকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। ইভানকে খরচ-পাতি দিত ওর মা। কিন্তু ছেলে যে ভেতরে ভেতরে খারাপ তা তো কেউ জানে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ইভান খারাপ কাজ করছে এটি সত্য। তবে সে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে এটাও সত্য। ওই মেয়ে যদি ভালো হত তাহলে এত রাতে কেউ আর একজনের বাসায় আসবে? আর ওই মেয়ে বলছে- জন্মদিনের পার্টির দাওয়াত পেয়ে এসেছে। কিন্তু জন্মদিনের পার্টির দাওয়াতে আসলে সে সঙ্গে তিন সেট পোশাক আনবে কেন?

ইভান তার ফেসবুকে পরিচয়ের ঘরে দেখিয়েছেন তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র। কর্মক্ষেত্রে হিসেবে দেখিয়েছেন ছাত্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রও দেখিয়েছেন। এমন তথ্য দেখে ইভানের পড়ালেখার বিষয়ে জানতে চইলে বোরহান উদ্দিনের গ্রামের বাড়ির ওই আত্মীয় বলেন, ইভান বেশি পড়ালেখা করেনি। এইট-নাইন পর্যন্ত পড়েছে। তবে ভাই ইভানের পেছনে যে টাকা খরচ করেছেন, অপর দুই ছেলের পেছনে তার কিছুই করেননি। ইভানের পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছেন।

বনানীর ৫/এ বাড়িটির তদারকির দায়িত্বে থাকা একজন বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে বলেন, কিছুক্ষণ আগে বোরহান উদ্দিন ছেলে ইভানকে নারায়ণগঞ্জ থেকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বাসায় ফিরেছেন। তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অসুস্থ। কারও সঙ্গে দেখা করছেন না। ছেলেকে র‌্যাবের কাছে ধরিয়ে দিয়ে আসার পর কোনো বাবা কি কথা বলার মতো মানসিকতায় থাকেন।

তিনি বলেন, যেই তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ওই তরুণী রাত ১২টার দিকে বাড়িটিতে এসেছিল এবং রাত ৪টার দিকে বের হয়ে যান। আজ আবার বিকেলে পুলিশের সঙ্গে একবার এই বাসায় এসেছিলেন। এর আগে আমরা ওই তরুণীকে আর দেখিনি।

বোরহান উদ্দিনের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন আরেকজন জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহান উদ্দিন তার পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বনানীর বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকেই বাসাটিতে তালা দেয়া ছিল। বিকেলে ছেলেকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তারপর তারা বাসায় ফিরেছেন। এখন বাসার কেউ কথা বলার মানসিকতায় নেই।

জন্মদিনের কথা বলে বনানীর বাসায় ডেকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বাহাউদ্দিন ইভানকে র‌্যাবের হাতে তুলে দিয়েছেন তার বাবা শিল্পপতি বোরহান উদ্দিন। বনানীর যে বাসায় ডেকে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে ওই বাসায় (ন্যাম ভিলেজের ৫/এ বাড়ি) নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং বোরহান উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হয় এমন একাধিক ব্যক্তি বিষয়টি জানিয়েছেন। তারা জানান, ন্যাম ভিজেলের ৫/এ নম্বর বাড়িটির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্লাটে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন বোরহান উদ্দিন। বনানীতে তার নিজস্ব একটি বাড়িও আছে। তবে বোরহান উদ্দিন তার পরিবার নিয়ে ভাড়া বাড়িতেই থাকেন। বোরহান উদ্দিন তিন ছেলের পিতা। তিন ছেলের মধ্যে ধর্ষণের অভিযেগ ওঠা বাহাউদ্দিন ইভান সবার বড়। এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা ইভানও তার পরিবার নিয়ে ওই ভাড়া বাড়িতে থাকেন। ইভানের ছেলে বনানীর একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়ে। আর মেয়ে ছোট, যে এখনও স্কুলে যায়নি। ইভানের অপর দুই ভায়ের মধ্যে ছোটটি উত্তরায় থাকেন। সেখানেই একটি কলেজে পড়েন তিনি। আর সবার ছোট ভাইটি সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। বোরহান উদ্দিনের ব্যবসায়িক কর্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এবং চাঁদপুরের গ্রামের বাড়ির দিক থেকে আত্মীয় একজন বলেন, আমার জেঠাতো ভাই বোরহান উদ্দিনই তার ছেলে ইভানকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন। ধরিয়ে না দিয়ে কী করবে? যেভাবে র‌্যাব-পুলিশ ও সাংবাদিকরা আসছেন সবাই ভয়ে আছে। মূলত ভয় আর আতঙ্ক থেকেই ভাই আমার ভাতিজাকে ধরিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভালোটাও সন্তান, খারাপটাও সন্তান। বাবা-মার সব সন্তানের প্রতিই মায়া আছে। ছেলেকে ধরিয়ে দিয়ে এসে বাবা-মা দু’জনই বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন। বাসায় কান্নাকাটি করছেন। তিনি জানান, বোরহান উদ্দিনের বনানীর ৮ নম্বর রোডের ২ নম্বর হাউজে অবস্থিত মার্কেটে দোকান রয়েছে। দোকানে ১৬টির মতো সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। বোরহান উদ্দিন মার্কেটের ভেতরের একটি কক্ষে বসে সবকিছু মনিটরিং করেন। ইভানও মাঝে মধ্যে সেখানে যেত। তিনি বলেন, আমার ভাজতে (ইভান) বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মিশে দুই হাতে টাকা খরচ করে। তাই ওর বাবা ছেলেকে অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। ইভানকে খরচ-পাতি দিত ওর মা। কিন্তু ছেলে যে ভেতরে ভেতরে খারাপ তা তো কেউ জানে না। এ সময় তিনি আরও বলেন, ইভান খারাপ কাজ করছে এটি সত্য। তবে সে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে এটাও সত্য। ওই মেয়ে যদি ভালো হত তাহলে এত রাতে কেউ আর একজনের বাসায় আসবে? আর ওই মেয়ে বলছে- জন্মদিনের পার্টির দাওয়াত পেয়ে এসেছে। কিন্তু জন্মদিনের পার্টির দাওয়াতে আসলে সে সঙ্গে তিন সেট পোশাক আনবে কেন? ইভান তার ফেসবুকে পরিচয়ের ঘরে দেখিয়েছেন তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র। কর্মক্ষেত্রে হিসেবে দেখিয়েছেন ছাত্র হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং একটি জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রও দেখিয়েছেন। এমন তথ্য দেখে ইভানের পড়ালেখার বিষয়ে জানতে চইলে বোরহান উদ্দিনের গ্রামের বাড়ির ওই আত্মীয় বলেন, ইভান বেশি পড়ালেখা করেনি। এইট-নাইন পর্যন্ত পড়েছে। তবে ভাই ইভানের পেছনে যে টাকা খরচ করেছেন, অপর দুই ছেলের পেছনে তার কিছুই করেননি। ইভানের পেছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছেন। বনানীর ৫/এ বাড়িটির তদারকির দায়িত্বে থাকা একজন বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে বলেন, কিছুক্ষণ আগে বোরহান উদ্দিন ছেলে ইভানকে নারায়ণগঞ্জ থেকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বাসায় ফিরেছেন। তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই অসুস্থ। কারও সঙ্গে দেখা করছেন না। ছেলেকে র‌্যাবের কাছে ধরিয়ে দিয়ে আসার পর কোনো বাবা কি কথা বলার মতো মানসিকতায় থাকেন। তিনি বলেন, যেই তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ওই তরুণী রাত ১২টার দিকে বাড়িটিতে এসেছিল এবং রাত ৪টার দিকে বের হয়ে যান। আজ আবার বিকেলে পুলিশের সঙ্গে একবার এই বাসায় এসেছিলেন। এর আগে আমরা ওই তরুণীকে আর দেখিনি। বোরহান উদ্দিনের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করেন এমন আরেকজন জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বোরহান উদ্দিন তার পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বনানীর বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকেই বাসাটিতে তালা দেয়া ছিল। বিকেলে ছেলেকে র‌্যাবের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তারপর তারা বাসায় ফিরেছেন। এখন বাসার কেউ কথা বলার মানসিকতায় নেই।

Comments are closed.







© সকল স্বত্ব- সমাজ নিউজ -কর্তৃক সংরক্ষিত
২২ সেগুনবাগিচা, ৫ম তলা, ঢাকা- বাংলাদেশ। মোবাইল: ০১৭১১-৩২৪৬৬০, ০১৭১৩-৫১২৫৮২।
ই-মেইল: news@somajnews.com, ওয়েব: www.somajnews.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

ডিজাইন: একুশে